মনির খান, স্টাফ রিপোর্টার:  নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় নবগঙ্গা নদী খনন চলছে। অবৈধ ট্রলি ব্যবহার করে নিয়ম নীতি না মেনে লক্ষীপাশা চৌরাস্তা হয়ে দ্রুত গতিতে মাটি ভর্তি ঘাতক ট্রলি যাচেছ বিভিন্ন ইটভাটায়। কিছু দিন পূর্বে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, ১জন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রহিয়াছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লোহাগড়া উপজেলার নবগঙ্গা নদী থেকে অবৈধ ট্রলি দিয়ে মাটি বহন করে বিভিন্ন ইটভাটায় নেয়া হচ্ছে।

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় এক শ্রেণীর অসাধু সুবিধা বাদীদের নিয়ে কিছু প্রভাবশালীদের কে হাত করে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রি করার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেটের মুল হোতাগন হলেন লোহাগড়ার ওকি, ইলু, নজরুল, সহ আরো অনেকে। এবং এদের সাথে সহযোগীতায় আছেন আরো ৫/৭ জন। যাহারা অবৈধ ট্রলি দিয়ে নদীর মাটি দিচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত বিধিকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ম্যানেজ করে অবৈধ মাটি বহন কৃত ট্রলি দিয়ে দিন রাত ২৪ ঘন্টা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাটি বিক্রি করছে।

নবগঙ্গা নদী থেকে মাটি বিক্রির কথা মাটি বিক্রেতা নজরুল কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন আমরা টেন্ডারের মাধ্যমে কিনেছি। স্হানীয়রা সাংবাদিকদের বলেন এভাবে দিন রাত ২৪ ঘন্টা অবৈধ ট্রলি দিয়ে মাটি উত্তোলন করে নেওয়াতে আমাদের বসত বাড়ি রাস্তা ঘাট নষ্ট সহ আমাদের বাবা চাচা ও ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা রাস্তায় বের হতে সাহস পাচ্ছে না। কারন কিছু দিন হল অবৈধ ট্রলির কারণে ২ জনের মৃত্যু ও ১ জন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ বিষয় নিয়ে এলাকা বাসীগন বলেন সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশা করেন। এ বিষয় নিয়ে নড়াইল জেলার পানি উন্নায়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন এর সাথে বার বার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন ডিসি মহোদয় ,ইউএনও মহোদয় ও লোহাগড়া থানা (ওসি) সাহেব কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমার কাছে তো কোন পুলিশ নাই, যে আমি ব্যবস্থা নিব?

 

কলমকথা/বিসুলতানা